উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
সমালোচনার মুখে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর পদ ছাড়তে বাধ্য হওয়া বিএনপির সংসদ সদস্য ইশরাক হোসেন নিজের কাজের পক্ষে সাফাই গেয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে পদত্যাগ করেছেন জানিয়ে তিনি সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন। রাজধানীর গেন্ডারিয়ায় মাদকবিরোধী অভিযানে আগ্নেয়াস্ত্র হাতে তাঁর উপস্থিতির ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পরদিন রোববার তাঁকে ডেকে পদত্যাগ করতে বলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সংবাদ সম্মেলনে ইশরাক বলেন, আজকের দিন থেকে আমি মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব থেকে স্বেচ্ছায় অব্যাহতি চেয়েছি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না থাকায় তাঁরা নিজেরাই কিছু উদ্যোগ নিতে বাধ্য হয়েছেন বলে দাবি করেন ইশরাক হোসেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর এলাকার তিনটি থানা পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, তখন থানাগুলোতে কার্যত কিছুই ছিল না এবং তাঁরা পুলিশের বসার ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। দল চাইলে ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে অংশ নেওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, এটি সম্পূর্ণভাবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের একক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী হবে। দল তাঁকে প্রার্থী করলে তিনি শতভাগ প্রস্তুত আছেন বলে জানান।
জামায়াতে ইসলামীর এক নেতার সমালোচনা করে ইশরাক বলেন, তিনি অস্ত্র উঁচিয়ে সন্ত্রাস করেছেন বলে যে অভিযোগ করা হয়েছে, তাতে তিনি ব্যথিত হয়েছেন। সাধারণ মানুষ হাততালি দিয়ে উল্লাস করেছে দাবি করে তিনি বলেন, তাদের প্রত্যাশা অনুযায়ী তিনি কাজ করে যাবেন। তবে তাঁর এই কর্মকাণ্ডকে ক্ষমতার প্রদর্শন ও অপরিপক্বতা হিসেবে দেখছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা। সংবাদ সম্মেলন শেষে নেতা–কর্মীদের ভিড় ঠেলে গাড়িতে চড়ে হ্যান্ডমাইকে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দিয়ে প্রেসক্লাব ত্যাগ করেন ইশরাক হোসেন।