উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির প্রতিবাদে ফ্রান্সজুড়ে বিক্ষোভ সহিংসতায় রূপ নেওয়ার পর শনিবার রাজধানী প্যারিসের বিভিন্ন দোকানে ব্যাপক লুটপাট চালিয়েছে বিক্ষোভকারীরা। কালো হুডি পরা মুখোশধারী লোকজন দল বেঁধে দোকানের ধাতব শাটার টেনে ভেঙে ভেতরে ঢোকে এবং সিগারেট, সানগ্লাস, পোশাক, গয়না ও খাবারসহ বিভিন্ন পণ্য লুট করে নিয়ে যায়।
বিক্ষোভে অংশ নেওয়া শ্রমিক ইউনিয়ন সিজিটি জানিয়েছে, এতে ৮ লাখ মানুষ অংশ নিয়েছেন এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের হিসাবে রাজধানীসহ বিভিন্ন শহরে আয়োজিত মিছিলগুলোতে ৫ লাখ ৫০ হাজার মানুষ অংশ নেন। বিক্ষোভকারীরা পুলিশের দিকে বিভিন্ন বস্তু ছুড়ে মারেন এবং আতশবাজি নিক্ষেপ করেন, যার জবাবে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ও জলকামান ব্যবহার করে।
ফ্রান্সের প্রধানমন্ত্রী সেবাস্তিয়েন লেকর্নু শনিবার রাতে অত্যন্ত তীব্র সহিংসতার নিন্দা জানিয়ে বলেন, এ ঘটনায় ১ হাজার ২০০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং ১৫০ জন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। প্যারিসের মেয়র এমানুয়েল গ্রেগোয়ার বলেন, রাজধানীর পুরো সড়ক্বস্ত হয়ে গেছে এবং তিনি প্রতিবাদ জানানোর মৌলিক অধিকার ও অগ্রহণযোগ্য সহিংসতার মধ্যে পার্থক্য করেন।
ঢাকা, ১৮ অক্টোবর, ২০২৬ বাসস সূত্রে জানা যায়, ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ছয় মাস আগে রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা বাড়িয়ে কয়েক সপ্তাহ ধরে চলা শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভের পর এই দেশজুড়ে লাখ লাখ মানুষ সমাবেশে যোগ দেন। রাস্তার পাশের একটি ক্যাফের খোলা বসার জায়গায় বসে থাকা ৩৮ বছর বয়সী শিল্পশিক্ষক আলমা বলেন, মানুষ কেন ক্ষুব্ধ হতে পারে তা বোঝা যায়, তবে সম্পত্তির ক্ষতি করা ঠিক নয়। স্থানীয় বাসিন্দারা নিজেদের অ্যাপার্টমেন্টের নিরাপদ জায়গা থেকে সহিংসতার দৃশ্য দেখেন এবং ২৯ বছর বয়সী সরকারি কর্মকর্তা জুলস বলেন যে তাদের মধ্যে গভীর ক্ষোভ রয়েছে।