উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় কমানো বর্তমান সরকারের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার হিসেবে কাজ করছে। মধ্যপ্রাচ্যের সংকটের পাশাপাশি উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া দীর্ঘস্থায়ী মূল্যস্ফীতি অর্থনীতিতে বাড়তি চাপ সৃষ্টি করেছে। ফ্যামিলি কার্ড ও ফার্মার্স কার্ডের মতো উদ্যোগের মাধ্যমে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে প্রকৃত সুবিধাভোগীদের কাছে সহায়তা পৌঁছে দেয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
২০৩০ সালের মধ্যে জিডিপির অনুপাতে কর আহরণ ১০ শতাংশে উন্নীত করার পাশাপাশি ব্যাংক খাতে শৃঙ্খলা ফেরানোর ওপর জোর দেয়া হয়েছে। ব্যাংক খাতের আর্থিক অনিয়ম ও প্রায় ৪০ বিলিয়ন ডলার লুটপাটের সাথে জড়িত ব্যক্তিদের দেশে বা বিদেশে জবাবদিহির আওতায় আনার কথা বলেছেন উপদেষ্টা। আমানতকারীদের স্বার্থ রক্ষা এবং আর্থিক খাতের স্বচ্ছতা বাড়াতে আইনি কাঠামো সংস্কারের পরিকল্পনাও রয়েছে।
বৃহস্পতিবার থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংক গ্রুপের বার্ষিক সভার ফাঁকে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর এসব কথা বলেন। ১২ থেকে ১৮ অক্টোবর থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে এই বার্ষিক সভা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। তিনি জানান, বাংলাদেশের নিজস্ব অগ্রাধিকার ও সংস্কার কৌশল অনুযায়ী আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংকসহ বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগীর সহায়তা নেয়া হবে।
আইএমএফের প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস কিছুটা সংরক্ষণশীল হয়ে থাকে বলে মন্তব্য করে বাজেটের ৬ দশমিক ৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য অর্জনে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়েছে। শুধু আইএমএফ বা বিশ্বব্যাংক নয়, এডিবি, ইসলামী উন্নয়ন ব্যাংকসহ বিভিন্ন বহুপক্ষীয় সংস্থার সাথেও দেশের সংস্কার কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা চলছে। পরিকল্পিত সংস্কার বাস্তবায়নের মাধ্যমে অর্থনীতির সক্ষমতা বাড়িয়ে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জনে কাজ করছে সরকার।