প্রকৃতি রক্ষার বৈশ্বিক লক্ষ্য অর্জনে আর্মেনিয়ায় শুরু হলো জাতিসংঘ সম্মেলন

উত্তরা পোস্ট
ডেস্ক রিপোর্ট ১ ফলোয়ার
আপডেটঃ ১৯ অক্টোবর, ২০২৬ | ৮:০০ ৩ ভিউ
প্রকৃতি রক্ষার বৈশ্বিক লক্ষ্য অর্জনে আর্মেনিয়ায় শুরু হলো জাতিসংঘ সম্মেলন

প্রকৃতি রক্ষায় বৈশ্বিক চুক্তির লক্ষ্যগুলো অর্জনে পিছিয়ে পড়ায় সেগুলো বাস্তবায়নের পথ খুঁজতে সোমবার আর্মেনিয়ায় প্রায় ২০০টি দেশ গুরুত্বপূর্ণ আলোচনায় বসছে। ২০৩০ সালের মধ্যে প্রকৃতি ধ্বংসের অবসান ঘটানো ও তা পুনরুদ্ধারের ঐতিহাসিক অঙ্গীকার বাস্তবায়নে সরকারগুলোর ওপর চাপ বাড়ছে। ককেশাস অঞ্চলের পার্বত্য দেশ আর্মেনিয়ার জন্য এ সম্মেলন দেশটির আয়োজিত বৃহত্তম আন্তর্জাতিক আয়োজনগুলোর অন্যতম। আগামী দুই সপ্তাহে এখানে হাজার হাজার অতিথির সমাগম হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

জাতিসংঘের প্রধান আন্তোনিও গুতেরেস বলেন, ২০৩০ সালের লক্ষ্যে পৌঁছানোর সময়ের অর্ধেক পেরিয়ে ইয়েরেভান এখন জবাবদিহির একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত। আমাদের নিজেদের প্রশ্ন করতে হবে—আমরা কি যথেষ্ট করছি? লক্ষ্য অর্জনে অগ্রগতি অপর্যাপ্ত কপ-১৭ শুরুর আগে প্রকাশিত জাতিসংঘের একটি মূল্যায়ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জীববৈচিত্র্য রক্ষায় নির্ধারিত ২৩টি লক্ষ্যের দিকে অগ্রগতি হচ্ছে। তবে সেই অগ্রগতি অসম এবং ২০৩০ সালের সময়সীমার মধ্যে লক্ষ্যগুলো অর্ অর্জনের জন্য যথেষ্ট নয়।

সম্মেলনে অর্থায়ন একটি বড় বিতর্কের বিষয় হয়ে উঠতে পারে এবং প্রতিবেদনে বলা হয়েছে জীববৈচিত্র্য রক্ষার প্রয়োজনীয় অর্থায়নে যে বিশাল ঘাটতি রয়েছে তা পূরণের উদ্যোগ প্রয়োজনের তুলনায় অনেক পিছিয়ে। জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে অর্থায়নের বাধ্যবাধকতা রয়েছে ইউরোপের দেশসহ অন্যান্য ধনী রাষ্ট্রের। তবে এসব দেশ চীনসহ বড় উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলোকেও অর্থায়নে অবদান রাখার আহ্বান জানিয়ে আসছে।

জীবাশ্ম জ্বালানিতে ভর্তুকি বন্ধের আহ্বান জানিয়ে গুতেরেস আহরণনির্ভর শিল্পে সরকারের প্রণোদনার বিষয়েও দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন এবং ক্ষতিকর ভর্তুকি সংস্কারের অঙ্গীকার করেও সরকারগুলো ভুল খাতে অর্থ ব্যয় করছে বলে সমালোচনা করেন। কয়লা, তেল ও গ্যাসের মতো জীবাশ্ম জ্বালানির প্রসঙ্গে গুতেরেস বলেন, জীবাশ্ম জ্বালানিতে ভর্তুকি দেওয়া মানে আত্মহত্যায় ভর্তুকি দেওয়া এবং এসব জ্বালানি আমাদের গ্রহকে উত্তপ্ত করছে ও জীববৈচিত্র্যের জন্য অভিশাপ হয়ে উঠেছে।

ঢাকা, ১৯ অক্টোবর, ২০২৬ বাসস: চার বছর আগে অধিকাংশ দেশ ২০৩০ সালের মধ্যে প্রকৃতি ধ্বংস বন্ধ ও বিপরীতমুখী করার ঐতিহাসিক আহ্বানে সাড়া দিয়েছিল কিন্তু এসব অঙ্গীকার বাস্তবায়নে সরকারগুলোর অগ্রগতি ধীর। ইয়েরেভান থেকে এএফপি জানায় জাতিসংঘের আনুষ্ঠানিক আলোচনা কপ-১৭ শুরুর আগে শুক্রবার আর্মেনিয়ার প্রধানমন্ত্রী নিকোল পাশিনিয়ান বলেন, আমাদের সৎভাবে স্বীকার করতে হবে সম্মিলিতভাবে আমরা প্রয়োজনীয় গতিতে এগোতে পারিনি।

ফলো করুন সর্বশেষ খবর পেতে আমাদের সাথে থাকুন

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:

প্রকৃতি রক্ষার বৈশ্বিক লক্ষ্য অর্জনে আর্মেনিয়ায় শুরু হলো জাতিসংঘ সম্মেলন
0:00 / 0:00
1x
🔒