যুক্তরাষ্ট্রের ওরেগন অঙ্গরাজ্যের একটি স্কুলে ভয়াবহ বন্দুক হামলার ঘটনায় তিন শিশু ও এক শিক্ষক নিহত হয়েছেন। শুক্রবার কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, হামলাকারী ১৬ বছর বয়সী গ্রিফিন জন দ্বিতীয় ওই স্কুলেরই সাবেক বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থী ছিল। সে ১২-গেজ শটগান দিয়ে স্কুলের তালাবদ্ধ দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে এই মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ড চালায়।
হামলার সময় অসীম সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছেন স্কুলের এক নারী শিক্ষক এবং কেলুব জিয়ামানকো নামের এক অভিভাবক। ওই শিক্ষক হামলাকারীকে বাধা দিতে নিজের মুঠোফোন ছুড়ে মারেন এবং বন্দুকটি কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। একই সময়ে দুই সন্তানের বাবা ৩৬ বছর বয়সী জিয়ামানকো ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিজের বৈধ অস্ত্র দিয়ে গুলি চালিয়ে হামলাকারীকে আঘাত করেন।
বেন্ড পুলিশের প্রধান মাইক ক্রান্টজ এই সাহসিকতার ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন, অন্যদের রক্ষায় নিজেদের জীবন বাজি রাখা প্রকৃত বীরত্ব। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও জিয়ামানকোর সাহসের প্রশংসা করেছেন। জিয়ামানকোর মা জানান, ছেলেকে নিয়ে তিনি অত্যন্ত গর্বিত। ১৭ অক্টোবর, ২০২৬ সালে বাসসের প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে আসে।








