বৈদেশিক মুদ্রা ও স্বর্ণ ব্যবসার লাইসেন্সিং, লেনদেনের সীমা এবং তদারকি সংক্রান্ত নীতিমালা হালনাগাদ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নতুন নির্দেশনায় পূর্ণাঙ্গ মানি চেঞ্জারদের প্রতিটি লেনদেনের রেকর্ড কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অনলাইন সিস্টেমে সংরক্ষণ করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এছাড়া, মানি চেঞ্জারদের দৈনিক সমাপনী নগদ স্থিতি ২৫ হাজার ডলার এবং এডি ব্যাংকের হিসাবে ৫০ হাজার ডলারের সীমা নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছে।
স্বর্ণ ব্যবসার ক্ষেত্রেও নতুন শর্ত আরোপ করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এখন থেকে স্বর্ণবার বা স্বর্ণালঙ্কার আমদানির প্রতিটি চালানের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের পৃথক পূর্বানুমোদন নিতে হবে। আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলোকে লাইসেন্স নবায়নের জন্য ২ লাখ টাকা ফি প্রদান করতে হবে। স্বর্ণ পরিশোধনকারী প্রতিষ্ঠানের প্রাথমিক অনুমতি ফি ৩০ লাখ টাকা এবং নবায়ন ফি ৫ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
ব্যাংকগুলো ভ্রমণ সুবিধার বিপরীতে প্রতি যাত্রায় সর্বোচ্চ ৫ হাজার মার্কিন ডলার সরবরাহ করতে পারবে। অন্যদিকে, পূর্ণাঙ্গ মানি চেঞ্জারগুলো একজন নাগরিকের কাছে প্রতি লেনদেনে সর্বোচ্চ ৩ হাজার ডলার বিক্রি করতে পারবে। বৈদেশিক মুদ্রা আইন, ১৯৪৭-এর আওতায় জারিকৃত এই সমন্বিত নীতিমালা ব্যাংক, মানি চেঞ্জার ও স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের জন্য অভিন্ন নিয়ন্ত্রক কাঠামো নিশ্চিত করবে।








