মাদক পাচার ও নিরাপত্তা হুমকি মোকাবিলায় ফিজির সমুদ্রসীমায় টহল দেবে সৌর ও বায়ুশক্তিচালিত অত্যাধুনিক সামুদ্রিক ড্রোন। অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে হওয়া একটি চুক্তির আওতায় ‘ব্লুবটল’ নামের এই ড্রোনগুলো আগামী বছর মোতায়েন করা হবে।
এসব ড্রোন একটানা কয়েক মাস সমুদ্রে অবস্থান করে নজরদারি চালাতে সক্ষম। প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপরাষ্ট্র ফিজির জনসংখ্যা কম হলেও বিশাল সমুদ্রসীমা পাহারা দেওয়া বেশ কঠিন। বিশেষ করে এশীয় জাহাজগুলোর অবৈধ মাছ ধরা এবং দক্ষিণ আমেরিকা থেকে মাদক পাচার ঠেকাতে হিমশিম খাচ্ছে দেশটি।
অস্ট্রেলিয়া গত মাসে প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে অপরাধ দমনে ৬০ কোটি অস্ট্রেলীয় ডলার সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। সেই প্রকল্পের অংশ হিসেবেই ফিজিকে ড্রোন ও প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। সিডনিতে তৈরি এই ড্রোনের নামকরণ করা হয়েছে বিষাক্ত জেলিফিশ ব্লুবটলের নামানুসারে।
অস্ট্রেলিয়ার প্রতিরক্ষা শিল্পমন্ত্রী প্যাট কনরয় বলেন, এই অঞ্চলের প্রতিটি দেশের স্বার্থে মাদক ব্যবসা বন্ধ করতে আমাদের একসঙ্গে কাজ করতে হবে। এজন্য গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদান এবং অপরাধীদের আটক করতে সমন্বিত উদ্যোগ জরুরি। কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই অঞ্চলে বর্তমানে চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব বিস্তারের প্রতিযোগিতা বাড়ছে।
এদিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ দমনে ফিজি সম্প্রতি একটি সামুদ্রিক নিরাপত্তা কৌশল অনুমোদন করেছে। পাশাপাশি দেশটির গোয়েন্দা সংস্থার কাঠামো পুনর্গঠনে নিউজিল্যান্ডের একটি সংস্থা পর্যালোচনা শুরু করবে বলে জানানো হয়েছে।








