দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বুধবার সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবসে সূচকের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতায় লেনদেন শেষ হয়েছে। দিন শেষে প্রধান সূচক ডিএসইএক্স, ব্লু-চিপ সূচক ডিএসই-৩০ এবং শরিয়াহ সূচক ডিএসইএস—তিনটিই বেড়েছে। একই সঙ্গে অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিটের দরও বেড়েছে এবং দিনটিতে ডিএসইতে মোট ৪১৬ কোটি ১৫ লাখ টাকার বেশি লেনদেন হয়েছে।
ডিএসইর তথ্যের ভিত্তিতে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, বুধবার ডিএসইএক্স সূচক ২০ দশমিক ৪৭ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ৪২৯ দশমিক ৩৭ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। আগের কার্যদিবসে এ সূচক ছিল ৫ হাজার ৪০৮ দশমিক ৯০ পয়েন্টে। এদিন ডিএসই-৩০ সূচক ৩ দশমিক ১৯ পয়েন্ট বেড়ে ২ হাজার ৯২ দশমিক ৬৩ পয়েন্টে এবং ডিএসইএস সূচক ২ দশমিক ৩০ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ৭২ দশমিক ৪৪ পয়েন্টে অবস্থান করেছে। দিন শেষে ডিএসইতে মোট ৪১৬ কোটি ১৫ লাখ ২০ হাজার টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে এবং মোট ১৫ কোটি ৩৯ লাখ ৫০ হাজার ৬৩০টি শেয়ার ও ইউনিট হাতবদল হয়।
বাজারের সার্বিক চিত্রে দেখা যায়, বুধবার ডিএসইতে ১৯৭টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে। বিপরীতে দর কমেছে ১৩৭টির এবং অন্য প্রতিষ্ঠানগুলোর দর অপরিবর্তিত ছিল। তবে এক দিনের সূচক বৃদ্ধি দিয়ে বাজারের দীর্ঘমেয়াদি গতিপথ সম্পর্কে নিশ্চিত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায় না এবং পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে কোম্পানির আর্থিক অবস্থা, আয়, লভ্যাংশ, মূল্য-আয় অনুপাত (পিই রেশিও) এবং মূল্যসংবেদনশীল তথ্য যাচাই করা জরুরি।








