অনুমোদন পেলেন বিএনপির ৪ নেতা এবং ছেলে-মেয়ে, স্ত্রী ও শ্বশুর। কল্যাণী ইউনিয়নের জন্য উপজেলা বিএনপি সভাপতি স্বাক্ষরিত তালিকায় ১ নম্বর ক্রমিকে ছিলেন জিকরুল আমিন। কৃষি মন্ত্রণালয়ও তাকে সুপারিশের ১ নম্বর ক্রম হিসেবে সারের ডিলার অনুমোদন দিয়েছে। তার প্রতিষ্ঠানের নাম বেলি ফার্টিলাইজার।
কান্দি ইউনিয়ন থেকে উপজেলা বিএনপির সভাপতি আমিনুল ইসলামের স্বাক্ষরিত তালিকায় ছিলেন আতাউর রহমান। তার বড় ভাই আনিছুর রহমান ভুট্টু ওই ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি। তাকেই কৃষি মন্ত্রণালয়ও সারের ডিলার হিসেবে সুপারিশের ১ নম্বর ক্রম হিসেবে অনুমোদন দিয়েছে।
পারুল ইউনিয়ন থেকে দুজনের মধ্যে ১ নম্বর ক্রমিকে ছিলেন আব্দুল মতিন সরকার। কৃষি মন্ত্রণালয় তাকেই সুপারিশের ১ নম্বর ক্রম হিসেবে সারের ডিলার অনুমোদন দিয়েছে। তার প্রতিষ্ঠানের নাম নুহা ট্রেডার্স। কৈকুড়ী ইউনিয়ন থেকে মীর তৌফিক হাসানকে সারের ডিলার হিসেবে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
ছাওলা ইউনিয়ন থেকে মো: জাকির হোসেনকে সারের ডিলার হিসেবে অনুমোদন দিয়েছে কৃষি মন্ত্রণালয়। ইটাকুমারী ইউনিয়ন থেকে মো: আলিমুদ্দিন ময়েন মোল্লার নাম সুপারিশের ১ নম্বর ক্রম হিসেবে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। অন্নদানগর ইউনিয়ন থেকেও জয়িতা আক্তার জিনিকে সার ডিলার হিসেবে অনুমোদন দিয়েছে সরকার।








